Latest

৯ম পে-স্কেল ২০২৬: iBAS++-এ স্যান্ডব্যাক, পিআরএল, নবনিয়োগ ও প্রেষণে বেতন নির্ধারণের সম্পূর্ণ নির্দেশিকা

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জাতীয় বেতনস্কেল-২০২৬ অনুযায়ী বেতন নির্ধারণ বা পে-ফিকেশন কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে চাকরির ধরন, প্রথম যোগদানের তারিখ, পূর্ববর্তী মূল বেতন এবং সার্ভিস রেকর্ডের সঠিকতা। বিশেষ করে স্যান্ডব্যাকের মাধ্যমে তথ্য সংশোধন, পিআরএলে থাকা কর্মচারীদের অবসর-সংক্রান্ত হিসাব, নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের জন্য নির্ধারিত অপশন এবং প্রেষণে কর্মরতদের মূল বেতনের ভিত্তিতে ফিক্সেশন—এই চারটি বিষয়ে কর্মচারীদের বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।

৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে iBAS++-এর পে-ফিক্সেশন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য জনবলের পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাঠানোসংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়।

অন্যদিকে, নতুন বেতন নির্ধারণের অনলাইন কার্যক্রমে কর্মচারীদের চাকরির তথ্য যাচাই ও সংশোধনের বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।

তবে মনে রাখতে হবে, নিচের চারটি বিষয় নিয়ে প্রচারিত তথ্যচিত্রে কিছু নির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হলেও প্রত্যেক কর্মচারীর ক্ষেত্রে একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে, এমন নয়। বিশেষ করে পিআরএল ও পেনশন নির্ধারণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সরকারি আদেশ এবং কার্যকর বিধান যাচাই করা জরুরি।

১. স্যান্ডব্যাক ইস্যু: ভুল তথ্য থাকলে কীভাবে সংশোধন করবেন?

iBAS++-এ পে-ফিকেশন আবেদন জমা দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাইয়ে কোনো অসংগতি ধরা পড়লে আবেদনটি সংশোধনের জন্য ফেরত পাঠানো হতে পারে। এই প্রক্রিয়াকে সাধারণভাবে ‘Send Back’ বলা হয়।

তথ্যচিত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, স্যান্ডব্যাকের পর সংশোধনের সুযোগ নির্ভর করতে পারে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর গ্রেড, এন্ট্রি ইউজারের উপস্থিতি এবং আবেদনটি কোন পর্যায়ে রয়েছে তার ওপর।

স্যান্ডব্যাক হলে করণীয়

  • এন্ট্রি ইউজার থাকলে: আবেদনটি সংশ্লিষ্ট এন্ট্রি ইউজারের কাছে ফেরত এলে তাঁর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সংশোধন করতে হবে।

  • নিজস্ব এন্ট্রি সুবিধা থাকলে: সিস্টেমে অনুমোদিত সুবিধা অনুযায়ী কর্মচারী নিজেই তথ্য সংশোধন করতে পারবেন।

  • হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে ফেরত এলে: ফেরত দেওয়ার কারণ দেখে সংশ্লিষ্ট ব্যবহারকারী বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মাধ্যমে সংশোধন করতে হবে।

  • সংশোধনের পর: তথ্য পুনরায় যাচাই করে নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাতে হবে।

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। আবেদন স্যান্ডব্যাক হওয়া মানেই বেতন নির্ধারণ বাতিল হয়ে যাওয়া নয়; বরং সংশোধন বা পুনরায় যাচাইয়ের প্রয়োজন বোঝাতে পারে। তবে সব ধরনের আবেদনেই ভিডিও স্যান্ডব্যাক বা একই পদ্ধতিতে সংশোধন করা যাবে—এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক হবে না।

বিশেষ সতর্কতা: কোন গ্রেডের কর্মচারী নিজে সংশোধন করবেন এবং কোন ক্ষেত্রে এন্ট্রি ইউজারের মাধ্যমে সংশোধন করতে হবে, তা সংশ্লিষ্ট iBAS++ মডিউলের নির্দেশনা অনুযায়ী নিশ্চিত হতে হবে।

২. পিআরএল ইস্যু: ৩০ জুন ও ১ জুলাই ২০২৬ তারিখের পার্থক্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?

পিআরএল বা অবসর-উত্তর ছুটিতে থাকা কর্মচারীদের বেতন ও পেনশন নির্ধারণের ক্ষেত্রে কার্যকর তারিখ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ৩০ জুন ২০২৬ এবং ১ জুলাই ২০২৬ তারিখের অবস্থার মধ্যে পার্থক্য থাকতে পারে।

তথ্যচিত্রে দুটি পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়েছে।

পরিস্থিতি এক: ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে পিআরএল শেষ হলে

তথ্যচিত্রে বলা হয়েছে, যাঁদের পিআরএল ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে শেষ হয়েছে, তাঁদের ১ জুলাই ২০২৬ থেকে নতুন জাতীয় বেতনস্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণের সুযোগ থাকবে না।

তবে এই বক্তব্য প্রয়োগের আগে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর অবসর আদেশ, পিআরএলের শেষ তারিখ এবং অবসরের কার্যকর তারিখ যাচাই করা প্রয়োজন। শুধু পিআরএল শেষ হওয়ার তারিখ দেখে প্রত্যেকের পেনশন-সুবিধা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া উচিত নয়।

পরিস্থিতি দুই: ১ জুলাই ২০২৬ তারিখে পিআরএল চলমান থাকলে

তথ্যচিত্র অনুযায়ী, ১ জুলাই ২০২৬ তারিখে পিআরএল চলমান থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর পেনশন নির্ধারণে নতুন বেতনস্কেল বিবেচনার বিষয়টি আসতে পারে। একই সঙ্গে পিআরএল চলাকালে বেতন-ভাতা উত্তোলনের ক্ষেত্রে পুরোনো বেতনস্কেলের বিধান প্রযোজ্য হওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

এখানে দুটি বিষয় আলাদা করে বুঝতে হবে:

  • পিআরএল চলাকালে বেতন-ভাতা: প্রযোজ্য চাকরিবিধি ও সংশ্লিষ্ট আদেশ অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।

  • অবসর ও পেনশন নির্ধারণ: অবসর কার্যকর হওয়ার তারিখ, পেনশনযোগ্য শেষ বেতন এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি আদেশের ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে।

তাই পিআরএলে থাকা কর্মচারীদের অনুমান করে নতুন বেতন বা পেনশন নির্ধারণ না করে নিজ নিজ অবসর আদেশ ও প্রযোজ্য সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করা উচিত।

৩. নবনিয়োগপ্রাপ্তদের পে-ফিকেশন: iBAS++-এ কোন অপশন নির্বাচন করবেন?

জাতীয় বেতনস্কেল-২০২৬ অনুযায়ী নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মচারীদের জন্য পে-ফিকেশনের পৃথক অপশন রয়েছে। iBAS++-এর সরকারি লগইন পৃষ্ঠায় Pay Fixation-2026 New Recruitment (All Grades) অপশনটি দেখা যাচ্ছে।

তথ্যচিত্রে বলা হয়েছে, ১ জুলাই ২০২৬ থেকে পরবর্তী সময়ে প্রথমবার সরকারি চাকরিতে যোগদানকারীদের নবনিয়োগপ্রাপ্ত হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। তবে পূর্ববর্তী সরকারি চাকরির ইতিহাস থাকলে শুধু বর্তমান পদে যোগদানের তারিখের ভিত্তিতে ক্যাটাগরি নির্বাচন না করে সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা যাচাই করতে হবে।

নবনিয়োগপ্রাপ্তদের ধাপে ধাপে করণীয়

  1. সরকারি পোর্টালে প্রবেশ করুন: iBAS++-এর নির্ধারিত পে-ফিকেশন পোর্টাল ব্যবহার করুন।

  2. নবনিয়োগ অপশন নির্বাচন করুন: প্রযোজ্য হলে Pay Fixation-2026 New Recruitment (All Grades) অপশনে প্রবেশ করুন।

  3. চাকরির তথ্য পূরণ করুন: প্রথম যোগদানের তারিখ, পদবি, গ্রেড এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য তথ্য নিয়োগপত্র ও সার্ভিস রেকর্ড অনুযায়ী দিন।

  4. যোগ্যতা যাচাই করুন: সিস্টেমে প্রদর্শিত নির্দেশনা অনুসারে প্রয়োজনীয় যোগ্যতা-সংক্রান্ত তথ্য পূরণ করুন।

  5. বেতন নির্ধারণের তথ্য যাচাই করুন: প্রদর্শিত মূল বেতন, পদবি ও অন্যান্য তথ্য নথির সঙ্গে মিলিয়ে আবেদন জমা দিন।

তথ্যচিত্রে Pay Fixation Eligibility-সংক্রান্ত একটি ধাপের কথাও বলা হয়েছে। তবে এই ধাপটি কীভাবে সম্পন্ন হবে, তা সংশ্লিষ্ট মডিউলে প্রদর্শিত নির্দেশনা অনুসারে নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

মনে রাখবেন: নবনিয়োগপ্রাপ্তদের অপশন এবং আগে থেকেই চাকরিতে কর্মরত কর্মচারীদের অপশন এক নয়। ভুল ক্যাটাগরি নির্বাচন করলে আবেদন প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরি হতে পারে।

৪. প্রেষণে কর্মরতদের বেতন নির্ধারণ: মূল অফিসের বেতন কেন গুরুত্বপূর্ণ?

প্রেষণ বা ডেপুটেশনে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে মূল পদ ও মূল অফিসের তথ্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ প্রেষণে কর্মরত থাকা মানেই মূল পদের চাকরির ইতিহাস বা বেতন-সংক্রান্ত তথ্য অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যাওয়া নয়।

তথ্যচিত্রে বলা হয়েছে, প্রেষণে কর্মরত কর্মচারীর বেতন নির্ধারণে মূল অফিসে প্রাপ্য মূল বেতনকে ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

এ ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় যাচাই করা প্রয়োজন:

  • ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে মূল পদে প্রাপ্য মূল বেতন।

  • মূল পদের গ্রেড ও পদবি।

  • প্রেষণ বা পদায়নের সরকারি আদেশ।

  • পূর্ববর্তী পদোন্নতি, উচ্চতর গ্রেড ও বেতন নির্ধারণের তথ্য।

  • প্রেষণকালীন অতিরিক্ত ভাতা বা বিশেষ সুবিধার প্রযোজ্যতা।

তবে প্রেষণে থাকা প্রত্যেক কর্মচারীর ক্ষেত্রে একইভাবে বেতন নির্ধারণ হবে, এমনটি ধরে নেওয়া উচিত নয়। প্রেষণের ধরন, সংশ্লিষ্ট চাকরিবিধি এবং সরকারি আদেশ অনুযায়ী প্রাপ্য বেতন ও ভাতার হিসাব ভিন্ন হতে পারে।

সুতরাং প্রেষণে কর্মরত কর্মচারীদের পে-ফিকেশনের আগে মূল অফিসের বেতন-সংক্রান্ত নথি এবং প্রেষণ আদেশ যাচাই করা প্রয়োজন।

৫. পে-ফিকেশনের আগে যেসব নথি ও তথ্য প্রস্তুত রাখবেন

নতুন বেতন নির্ধারণের সময় ব্যক্তিগত তথ্যের পাশাপাশি চাকরির ইতিহাসও গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্ট সংবাদ প্রতিবেদনগুলোতে এনআইডি, জন্মতারিখ, পদবি, গ্রেড, প্রথম যোগদানের তারিখ এবং ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের মূল বেতন যাচাইয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রয়োজনীয় তথ্যযাচাইয়ের উদ্দেশ্য
জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্মতারিখব্যক্তিগত পরিচয় নিশ্চিত করা
প্রথম যোগদানের তারিখচাকরির ইতিহাস ও প্রযোজ্য ক্যাটাগরি নির্ধারণ
বর্তমান পদবি ও গ্রেডপ্রযোজ্য বেতন কাঠামো যাচাই
৩০ জুন ২০২৬ তারিখের মূল বেতনবেতন নির্ধারণের ভিত্তি যাচাই
পূর্ববর্তী পে-ফিকেশনবেতন নির্ধারণের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা
পদোন্নতি ও উচ্চতর গ্রেডের আদেশপ্রাপ্য বেতন ধাপ যাচাই
টাইম স্কেল বা সিলেকশন গ্রেডের আদেশপূর্ববর্তী সুবিধা যাচাই
পিআরএল ও অবসর আদেশঅবসর-সংক্রান্ত হিসাব যাচাই
প্রেষণ বা বদলির আদেশমূল পদ ও কর্মস্থলের তথ্য যাচাই

তথ্য জমা দেওয়ার আগে সব নথির মধ্যে সামঞ্জস্য রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করা জরুরি। কোনো তথ্যের সঙ্গে অফিসের রেকর্ডের অমিল থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সমাধান করতে হবে।

৬. পে-ফিকেশন সম্পন্ন হলেই কি নতুন বেতন ও বকেয়া পাওয়া যাবে?

না। পে-ফিকেশন সম্পন্ন হওয়া, হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের যাচাই এবং বেতন বিল প্রস্তুত করা পৃথক ধাপ।

৫ অক্টোবর ২০২৬ থেকে পে-ফিকেশন কার্যক্রম শুরু এবং ২০ অক্টোবরের মধ্যে তা সম্পন্ন করার লক্ষ্যমাত্রার কথা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রত্যেক কর্মচারীর আবেদন যাচাই ও বেতন পরিশোধ সম্পন্ন হয়েছে কি না, তা আলাদাভাবে নিশ্চিত করতে হবে।

বকেয়ার পরিমাণও সবার জন্য সমান হবে না। এটি সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর পুরোনো মূল বেতন, নতুন বেতন নির্ধারণ, কার্যকর তারিখ এবং প্রযোজ্য অর্থ পরিশোধের নিয়মের ওপর নির্ভর করবে।

অতএব, শুধু অনলাইনে ফরম পূরণ করলেই বকেয়া পাওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়ে যায় না। আবেদন জমা, তথ্য যাচাই, প্রয়োজনীয় সংশোধন এবং বেতন বিল প্রস্তুতের প্রক্রিয়াও গুরুত্বপূর্ণ।

৭. পে-ফিকেশনে ভুল এড়াতে ৭টি সতর্কতা

1. সঠিক ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন—নবনিয়োগপ্রাপ্ত, চলমান কর্মচারী, পিআরএলে থাকা এবং প্রেষণে কর্মরতদের অবস্থা এক নয়।

2. প্রথম যোগদানের তারিখ ও বর্তমান পদে যোগদানের তারিখ গুলিয়ে ফেলবেন না।

3. ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের মূল বেতন অফিসের রেকর্ডের সঙ্গে মিলিয়ে নিন।

4. পদোন্নতি, উচ্চতর গ্রেড ও অন্যান্য বেতন-সুবিধার আদেশ থাকলে প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক তথ্য দিন।

5. স্যান্ডব্যাক হলে ফেরত দেওয়ার কারণ বুঝে সংশোধন করুন; অনুমান করে তথ্য পরিবর্তন করবেন না।

6. পিআরএল বা পেনশন-সংক্রান্ত জটিলতা থাকলে সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কার্যালয় বা প্রশাসন শাখার সহায়তা নিন।

7. এনআইডি, জন্মতারিখ, পাসওয়ার্ড ও বেতন-সংক্রান্ত সংবেদনশীল তথ্য কেবল অনুমোদিত সরকারি ব্যবস্থায় ব্যবহার করুন।

সরকারি পোর্টাল: iBAS++ পে-ফিকেশন

শেষ কথা

জাতীয় বেতনস্কেল-২০২৬ অনুযায়ী পে-ফিকেশন সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে হলে শুধু অনলাইন ফরম পূরণ করাই যথেষ্ট নয়; কর্মচারীর চাকরির ইতিহাস, মূল বেতন, নিয়োগের ধরন এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি আদেশের মধ্যে সামঞ্জস্য থাকতে হবে।

স্যান্ডব্যাকের ক্ষেত্রে সংশোধনের নিয়ম, নবনিয়োগপ্রাপ্তদের নির্ধারিত অপশন, প্রেষণে থাকা কর্মচারীদের মূল পদের বেতনের ভিত্তি এবং পিআরএলে থাকা কর্মচারীদের অবসর-সংক্রান্ত বিধান—প্রতিটি বিষয় আলাদাভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

সরকারি কর্মচারীদের জন্য মূল পরামর্শ: সঠিক তথ্য দিন, অনুমোদিত iBAS++ পোর্টাল ব্যবহার করুন এবং চূড়ান্ত বেতন নির্ধারণের আগে প্রয়োজনীয় নথি যাচাই করুন। এতে ভুল বেতন নির্ধারণ, আবেদন ফেরত আসা এবং পরবর্তী সময়ে বকেয়া বা পেনশন হিসাব নিয়ে জটিলতার ঝুঁকি কমানো সম্ভব হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *